our school and vocational educational's advantage
সুন্দরবন আদর্শ বিদ্যামন্দির
বিদ্যালয়ের প্রার্থনা সঙ্গীত
জাতীয় সঙ্গীত
জনগণমন-অধিনায়ক জয় হে, ভারত ভাগ্যবিধাতা
পঞ্জাব সিন্ধু গুজরাট মরাঠা দ্রাবিড় উৎকল বঙ্গ
বিন্ধ্য হিমাচল যমুনা গঙ্গা উচ্ছলজলধিতরঙ্গ,
তব শুভ নামে জাগে, তব শুভ আশিস মাগে,
গাহে তব জয় গাথা।
জনগণমঙ্গলদায়ক জয় হে ভারতভাগ্যবিধাতা!
জয় হে, জয় হে, জয় হে, জয় জয় জয়, জয় হে।।
বিদ্যালয় পরিচালন সমিতি
|
-:ভূমিদাতাগণের তালিকা:-
ধরণীধর পড়ুয়া - ৮নং পশ্চিম গঙ্গধরপুর / বংকিম বিহারী দাস - গণেশপুর / রামচন্দ্র নায়েক- কালীনগর / গোপাল চন্দ্র দাস অক্ষয়নগর / মহঃ সাহালম সেখ মধুসূদনপুর / বিপিন বিহারী দাস ও জীবন দাস বিশালাক্ষীপুর / মোক্ষদা দাসী -দঃ চন্দ্রনগর / কাদম্বরী দাসী বুধাখালী / গজেন্দ্র নাথ রায় -দাস - রাজনগর শ্রীনাথগ্রাম / রমেশ চন্দ্র দোলই - বামানগর।
বিদ্যালয়ে গৃহীত কিছু উল্লেখযোগ্য ব্যবস্থা
১। অভিজ্ঞ ও সুযোগ্য শিক্ষকমণ্ডলী।
২। কলা, বিজ্ঞান ও বাণিজ্য শাখায় বিভিন্ন পছন্দের বিষয় সম্বলিত উচ্চমাধ্যমিক বিভাগ।
৩। পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য বৃত্তিমূলক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ সংসদ কর্তৃক অনুমোদিত অষ্টম ও দশম শ্রেণি উত্তীর্ণ ছাত্র-ছাত্রীদের বিভিন্ন ট্রেডে প্রশিক্ষণ ও প্রশিক্ষণান্তে শংসাপত্র প্রদানের ব্যবস্থা আছে।
81 সরকারী পাঠক্রম অনুযায়ী পঞ্চম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত কম্পিউটার (Com-puter) প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা।
৫। মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিকে ঐচ্ছিক বিষয় হিসাবে ছাত্র-ছাত্রীদের কম্পিউটার (Computer) রিটেল ম্যানেজম্যান্ট ও সিকিউরিটি বিষয় নেওয়ার সুযোগ।
৬। একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির সময় ২২টি বিষয়ের মধ্য থেকে বিষয় নির্বাচনের সুবিধা।
৭। সহপাঠক্রমিক শিক্ষাদানের সুষ্ঠু ব্যবস্থা।
৯। নিজস্ব খেলার মাঠ।
১০। নানা মেধাপরীক্ষা ও বিভিন্ন প্রবেশিকা পরীক্ষার জন্য বিশেষ প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা।
১১। সু-সমৃদ্ধ বিজ্ঞান গবেষণাগার।
১২। সু-সমৃদ্ধ পাঠাগার ও পাঠকক্ষ।
১৩। বিদ্যালয় সাহিত্য পত্রিকা 'অভ্যুদয়'।
১৪। দেওয়াল পত্রিকা 'অনুদয়'।
১৫। বিজ্ঞান ক্লাব, বিজ্ঞান প্রদর্শনী ও শিক্ষামূলক ভ্রমণের ব্যবস্থা।
১৬। বিদ্যালয়ের নির্দিষ্ট ইউনিফর্ম, ব্যাজ ও পরিচয়পত্র।
১৭। নিম্ন মাধ্যমিক স্তরে বীক্ষণাগার।
১৮। পঞ্চম থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত সরকারি সাহায্য প্রাপ্ত তপশিলী জাতি-উপজাতি।
১৯। মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক বিভাগে বৃত্তিমূলক শিক্ষার সুযোগ।
২০। ভূমি স্তরে (Ground Level) এ পরিশ্রুত পানীয় জলের বন্দোবস্ত।
২১। নিজস্ব Projector Room, Audio Visual পঠন-পাঠন।
২২। তপশিলী ও আদিবাসী সম্প্রদায়ের ছাত্রদের ও সাধারণ মেধাবী দূরবর্তী ছাত্রদের জন্য ছাত্রাবাসের ব্যবস্থা।
২৩। একাদশ শ্রেণির জন্য ভর্তির ফর্ম দেওয়া হয় মাধ্যমিক পরীক্ষার ফলপ্রকাশের দিনই।
২৪। বিদ্যালয় পরিসীমা প্রাচীর দ্বারা পরিবেষ্টিত ও সুরক্ষিত।
২৫। অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত সকল ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য মধ্যাহ্নভোজের (মিড-ডে মিল) এর সুষ্ঠু ব্যবস্থা আছে।
২৬। বিদ্যালয়ের উন্নয়ন ও ছাত্র-ছাত্রীদের পড়াশুনার অগ্রগতি সম্পর্কে আলোচনার জন্য অভিভাবক মণ্ডলীর সভা আহ্বান করা হয় (বিদ্যালয় নির্ধারিত তারিখে)। উক্ত সভায় প্রত্যেক অভিভাবকের উপস্থিতি একান্ত কাম্য। এছাড়া আশু প্রয়োজনীয় কোন সমস্যা সৃষ্টি হ'লে প্রধান শিক্ষক কিংবা বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করা জরুরী।
২৭। শিক্ষামূলক ভ্রমণের সুযোগ।
২৮। অভিজ্ঞ শিক্ষক / শিক্ষিকা দ্বারা নিয়মিত সংগীত, নৃত্য ও বাদ্য অনুশীলন।
২৯। অভিজ্ঞ শিক্ষকমণ্ডলী দ্বারা জয়েন্ট এন্ট্রান্স পরীক্ষার কোচিং-এর ব্যবস্থা আছে।
বিঃ দ্রঃ- Poor Fund -এর ব্যবস্থা আছে। প্রতি বছর দরিদ্র মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের সাহায্য করা হয়। উক্ত তহবিলে অর্থ দানের জন্য সকলের কাছে বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে আবেদন রইল।
ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য বিদ্যালয় নির্ধারিত পোশাক
১) ছাত্রদের জন্য:- ঘননীল (Navy Blue) প্যান্ট, সাদা শার্ট, ঘননীল টাই, সাদা মোজা ও কালো স্কুল বুট।
২) পঞ্চম থেকে অষ্টম শ্রেণির ছাত্রীদের জন্য:-সাদা জামা, মেরুন স্কার্ট, মেরুন টাই, সাদা মোজা ও সাদা স্কুল বুট।
২) পঞ্চম থেকে অষ্টম শ্রেণির ছাত্রীদের জন্য:-সাদা জামা, মেরুন স্কার্ট, মেরুন টাই, সাদা মোজা ও সাদা স্কুল বুট।
৩) নবম থেকে দশম শ্রেণির ছাত্রীদের জন্য:-সাদা ও মেরুনের চেক যুক্ত চুড়িদার পাঞ্জাবী। সাদা রঙের পাজামা Skin fitting হবে না এবং এর নিচের দিকে এক ইঞ্চি জামার চেকের বর্ডার দিতে হবে। ওড়না হবে সাদা রঙের। সাদা
৪) মোজা ও সাদা রঙের স্কুল বুট।একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রীদের জন্য:-কামিজঃ থ্রি কোয়ার্টার হাতা, কলারে ১১/২" কোমরে ২, হাতায় ও নিম্নে ১" মেরুন সাদা বর্ডার। সালোয়ার: সাদা, ঢিলাঢালা গড়নযুক্ত, দুই পায়ের কাছে ১ মেরুন সাদা বর্ডার। ওড়না: সাদা; জুতা: সাদা কেটস্ ও সাদা মোজা। অথবা, মেরুন পাড়যুক্ত সাদা শাড়ী, সাদা ব্লাউজ, সাদা মোজা ও সাদা স্কুল বুট।
৫) ছাত্র-ছাত্রীদের শীতের পোশাক:-ছাত্রদের ঘননীল সোয়েটার। ছাত্রীদের মেরুন সোয়েটার।
বিদ্যালয়ের নিয়মশৃঙ্খলা :-
১ঃ প্রত্যেক ছাত্র-ছাত্রীকে অবশ্যই বিদ্যালয়ের নিয়মশৃঙ্খলা মেনে চলতে হবে।
২ঃ প্রত্যেক ছাত্র-ছাত্রীকে বিদ্যালয়ের পঠন আরম্ভের অন্ততঃ ১৫ মিনিট পূর্বে নিজ নিজ শ্রেণির নির্দিষ্ট বিভাগে আসন গ্রহণ করতে হবে। নির্ধারিত সময়ে প্রার্থনা সভায় যোগ দিতে হবে।
৩ঃ দিনলিপিতে অভিভাবকের স্বাক্ষর বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের উপস্থিতিতে প্রত্যয়িত করতে হবে।
৪ঃ কোন কারণে দেরী হলে দিনলিপিতে দেরীর সময় ও কারণ উল্লেখ করে শ্রেণি শিক্ষকের অনুমোদন করিয়ে নিতে হবে।
৫ঃ শ্রেণিকক্ষের দরজার সামনে দাঁড়ানো অথবা বারান্দায় ঘুরে বেড়ানো চলবে না।
৬ঃ শ্রেণিকক্ষের শৃঙ্খলা রক্ষায় প্রত্যেক ছাত্র-ছাত্রী মনিটরকে সহায়তা করবে।
৭ঃ বিদ্যালয়ে উপস্থিত হতে না পারলে উপস্থিতির দিন বিদ্যালয়ের দিনলিপিতে কারণ দর্শিয়ে অভিভাবকের ঘরে অভিভাবকের স্বাক্ষর করিয়ে শ্রেণি শিক্ষকের কাছে অনুমোদনের জন্য দিতে হবে।
৮ঃ বিদ্যালয়ে এসে বিদ্যালয় চলাকালীন প্রধান শিক্ষকের অনুমতি ছাড়া বিদ্যালয় পরিত্যাগ করা দণ্ডনীয় অপরাধ বলে গণ্য হবে।
৯ঃ শ্রেণির পাঠ ও বাড়ীর কাজ (Home-task) সম্পাদন করা আবশ্যিক।
১০ঃ প্রত্যহ শ্রেণিতে প্রয়োজনীয় বই খাতা ও দিনলিপি আনতে হবে।
১১ঃ ছাত্র-ছাত্রীদের আচরণ, পড়াশুনা সম্পর্কে কোন অভিযোগ থাকলে দিনলিপি মারফত অভিভাবকের সাথে যোগাযোগ করা হবে।
১২ঃ বিরতির শেষে ঘন্টা বাজার সঙ্গে সঙ্গে প্রত্যেক ছাত্র-ছাত্রীকে নিজ নিজ শ্রেণিতে গিয়ে বসতে হবে।
১৩ঃ খেলাধুলা, ক্যুইজ, বিতর্কসভা, সমাজসেবা মূলক কাজে যোগদান বাধ্যতামূলক
১৪ঃ বিদ্যালয়ে পালনীয় দিবসে প্রত্যেক ছাত্র-ছাত্রীকে বিদ্যালয়ের নির্দিষ্ট পোশাক পরে অবশ্যই অংশগ্রহণ করতে হবে।
১৫ঃ প্রগতিপত্র পাওয়ার তিন দিনের মধ্যে অভিভাবকের স্বাক্ষর করিয়ে শ্রেণি শিক্ষকের কাছে জমা দিতে হবে।
১৬ঃ ছাত্র-ছাত্রীদের পোশাক পরিচ্ছদ, বাড়ীর কাজের খাতা ও শ্রেণিকক্ষের পরিচ্ছন্নতার দিকে যত্নশীল হতে হবে।
১৭ঃ বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীর শিক্ষা বা আচরণগত ত্রুটির কথা জানিয়ে, অভিভাবককে প্রধান শিক্ষক মহাশয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলা হলে নির্দিষ্ট দিনে অবশ্যই তা করতে হবে। অন্যথায় প্রধান শিক্ষক মহাশয় যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবেন।
১৮ঃ বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত হওয়ার জন্য উপযুক্ত কারণ দেখাতে না পারলে, অনুপস্থিত প্রতিটি দিনের জন্য ৫.০০ (পাঁচ) টাকা করে জরিমানা দিতে হবে।
১৯ঃ বিদ্যালয় ছাত্র-ছাত্রীদের নিজস্ব প্রতিষ্ঠান। সেই প্রতিষ্ঠানের প্রতিটি সম্পদের সুরক্ষা ও পবিত্রতা অক্ষুণ্ণ রাখার দায়িত্ব প্রত্যেক ছাত্র-ছাত্রীকে নিতে হবে। শ্রেণিকক্ষ সর্বোতভাবে পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে।
ABOUT VOCATIONAL
বৃত্তিমূলক শিক্ষা সম্পর্কে
বৃত্তিমূলক শিক্ষার ব্যাপক সারসংক্ষেপ বৃত্তিমূলক শিক্ষার ভূমিকা
বৃত্তিমূলক শিক্ষা, যা ক্যারিয়ার এবং কারিগরি শিক্ষা (CTE) নামেও পরিচিত, শিক্ষার্থীদের নির্দিষ্ট ক্যারিয়ারের জন্য প্রস্তুত করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে, ব্যবহারিক দক্ষতা এবং কর্মক্ষেত্রে সরাসরি প্রয়োগের উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করে। ঐতিহ্যবাহী একাডেমিক শিক্ষার বিপরীতে, যা প্রায়শই তাত্ত্বিক জ্ঞানের উপর জোর দেয়, বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ নির্দিষ্ট চাকরি বা শিল্পের জন্য প্রয়োজনীয় হাতে-কলমে অভিজ্ঞতা এবং প্রযুক্তিগত দক্ষতা প্রদানের উপর কেন্দ্রীভূত।
বৃত্তিমূলক শিক্ষার ইতিহাস
বৃত্তিমূলক শিক্ষার শিকড় প্রাচীনকালে ফিরে পাওয়া যায় যখন শিক্ষানবিশ প্রশিক্ষণ দক্ষতা হস্তান্তরের একটি সাধারণ পদ্ধতি ছিল। আধুনিক সময়ে, বৃত্তিমূলক শিক্ষা উল্লেখযোগ্যভাবে বিকশিত হয়েছে, প্রযুক্তিগত অগ্রগতির সাথে খাপ খাইয়ে নিয়েছে এবং শ্রমবাজারের চাহিদা পরিবর্তন করেছে। বৃত্তিমূলক স্কুল এবং প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলির প্রবর্তন প্রক্রিয়াটিকে আনুষ্ঠানিকভাবে রূপ দিয়েছে, এটিকে আরও সহজলভ্য এবং কাঠামোগত করে তুলেছে।
বৃত্তিমূলক শিক্ষার সুবিধা
১. কর্মসংস্থানের সরাসরি পথ:বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ কর্মসংস্থানের একটি স্পষ্ট পথ প্রদান করে, প্রায়শই নিয়োগকর্তাদের দ্বারা স্বীকৃত সার্টিফিকেশন বা ডিপ্লোমা সহ।
২. দক্ষতা উন্নয়ন: শিক্ষার্থীরা শ্রমবাজারে চাহিদাপূর্ণ নির্দিষ্ট, চাকরির জন্য প্রস্তুত দক্ষতা অর্জন করে।
৩. নমনীয়তা: অনেক বৃত্তিমূলক প্রোগ্রামগুলি নমনীয় সময়সূচী প্রদান করে, যার মধ্যে খণ্ডকালীন এবং অনলাইন কোর্স অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, যা শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি সহকারে সুযোগ করে দেয়।
শিল্প সংযোগ: ৪টি বৃত্তিমূলক শিক্ষা প্রায়শই স্থানীয় ব্যবসা এবং শিল্পের সাথে অংশীদারিত্বের সাথে জড়িত থাকে, যা শিক্ষার্থীদের নেটওয়ার্কিং সুযোগ এবং বাস্তব-বিশ্বের অভিজ্ঞতা প্রদান করে।
বৃত্তিমূলক শিক্ষার প্রকারভেদ
১. কারিগরি ও বাণিজ্য বিদ্যালয়:
এই প্রতিষ্ঠানগুলি মোটরগাড়ি মেরামত, এইচভিএসি, প্লাম্বিং এবং বৈদ্যুতিক কাজের মতো ক্ষেত্রে প্রশিক্ষণ প্রদান করে।
২. শিক্ষানবিশ: ক
কর্মক্ষেত্রে প্রশিক্ষণ এবং আনুষ্ঠানিক নির্দেশনার সমন্বয়, যা প্রায়শই একটি ট্রেডে জার্নিম্যানের মর্যাদা লাভ করে।
৩. বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র:
স্বাস্থ্যসেবা এবং তথ্যপ্রযুক্তি থেকে শুরু করে রন্ধনশিল্প এবং আতিথেয়তা পর্যন্ত বিস্তৃত ক্ষেত্রে প্রোগ্রাম অফার করে।
৪. কমিউনিটি কলেজ: অনেক
কমিউনিটি কলেজগুলি বৃত্তিমূলক প্রোগ্রাম অফার করে যা বিভিন্ন কারিগরি এবং পেশাদার ক্ষেত্রে সহযোগী ডিগ্রি বা সার্টিফিকেটের দিকে পরিচালিত করে।
বৃত্তিমূলক শিক্ষার সম্মুখীন হওয়া চ্যালেঞ্জ
১. ধারণা এবং কলঙ্ক:
এর সুবিধা থাকা সত্ত্বেও, বৃত্তিমূলক শিক্ষাকে কখনও কখনও একাডেমিক শিক্ষার চেয়ে কম মর্যাদাপূর্ণ হিসাবে দেখা হয়।
২. তহবিল এবং সম্পদ:
বৃত্তিমূলক কর্মসূচির জন্য সরঞ্জাম, প্রযুক্তি এবং প্রশিক্ষকদের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য বিনিয়োগের প্রয়োজন হয়, যা বাজেট-সীমাবদ্ধ প্রতিষ্ঠানগুলির জন্য একটি চ্যালেঞ্জ হতে পারে।
৩. শিল্প পরিবর্তনের সাথে তাল মিলিয়ে চলা: বৃত্তিমূলক
প্রাসঙ্গিক থাকার জন্য শিক্ষাকে প্রযুক্তিগত অগ্রগতি এবং বিকশিত শিল্প মানের সাথে ক্রমাগত খাপ খাইয়ে নিতে হবে।
বৃত্তিমূলক শিক্ষার ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা
১. প্রযুক্তির একীকরণ:
প্রশিক্ষণ উন্নত করার জন্য ভার্চুয়াল রিয়েলিটি, সিমুলেশন এবং অনলাইন লার্নিং প্ল্যাটফর্মের মতো উন্নত প্রযুক্তি অন্তর্ভুক্ত করা।
২. সফট স্কিলের উপর জোর দেওয়া:
কারিগরি দক্ষতার পাশাপাশি, যোগাযোগ, দলগত কাজ এবং সমস্যা সমাধানের মতো নরম দক্ষতার গুরুত্বের স্বীকৃতি ক্রমবর্ধমান।
৩. জীবনব্যাপী শিক্ষা: বৃত্তিমূলক
শিক্ষা ক্রমাগত শেখার একটি মডেলের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে, যা কর্মীদের জীবনব্যাপী নতুন প্রযুক্তি এবং ক্যারিয়ার পরিবর্তনের সাথে খাপ খাইয়ে নিতে সহায়তা করে।
উপসংহার
আধুনিক অর্থনীতির চাহিদা পূরণের জন্য কর্মীবাহিনীকে প্রস্তুত করতে বৃত্তিমূলক শিক্ষা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ব্যবহারিক দক্ষতা এবং সরাসরি প্রয়োগের উপর মনোযোগ দিয়ে, বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ কর্মসংস্থান এবং কর্মজীবনের অগ্রগতির জন্য একটি মূল্যবান পথ প্রদান করে। চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা এবং ভবিষ্যতের দিকনির্দেশনা গ্রহণ করা বৃত্তিমূলক শিক্ষার অব্যাহত প্রাসঙ্গিকতা এবং কার্যকারিতা নিশ্চিত করার মূল চাবিকাঠি হবে।
CONTACT OUR VOCATIONAL TEACHER
|
Please contact us if you have any problems.
Contact : 7864833903
Gmail : Silasamanta876@gmail.com
About This Website
This is a simple website created using HTML.

Comments
Post a Comment